Home » ছবি » কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করছেন মনজুরুল ইসলাম মেঘ

কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করছেন মনজুরুল ইসলাম মেঘ

নভেম্বর ২২, ২০১৮ ৯:০৬ অপরাহ্ণ Category: ছবি, ঢালিউড, নিউজ, নিউজ, বিশ্ব চলচ্চিত্র, সর্বশেষ, সর্বশেষ সংবাদ ::#

wnewsbd.com : বিনোদন প্রতেবেদক :

আগামি ২৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ২০১৮ অনুষ্টিতব্য ৪র্থ কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অতিথি হিসাবে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছেন লেখক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক পরিবেশক মনজুরুল ইসলাম মেঘ।


মনজুরুল ইসলাম মেঘ জানান, কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের, উৎসব পরিচালক মুস্তাক আলী আহমেদ খাঁন এর আমন্ত্রনে তিনি উৎসবে অংশগ্রহণ করছেন আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে। তিনি আগামি ২৬ তারিখ দিল্লীতে সিনেমা পরিবেশনা বিষয়ক একটি মিটিং শেষ করে ২৭ তারিখ কাশমীর চলচ্চিত্র উৎ’সবে অংশ গ্রহণ করবেন। এ ছাড়াও উৎসবের অংশ হিসাবে ৮ দিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র নির্মান কর্মশালার বিশেষ একটি সেশনেও তিনি অংশ গ্রহণ করবেন। মনজুরুল ইসলাম মেঘ এর চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৮ সালে “সেবা” নামের একটি র্স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র নির্মানের মধ্যে দিয়ে। স্বল্পদৈর্ঘটিতে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন গ্রামীন পটভূমিতে কমলমতি শিশুরা শিক্ষার জন্য কত কষ্ট করেন এবং তাদের শিক্ষা গ্রহণ করার আকাঙ্খা। এরপর ২০০৯ সালে নির্মান করেন নারী ও শিশুর অধিকার নিয়ে “রসগোল্লা” নামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে নির্মান করেন “বউ চলে গেলো” নামে একটি ব্যাঙ্গার্থ
চলচ্চিত্র।

তিনি বেশি কিছু মঞ্চ ও পথনাটকে কাজ করলেও আলোচনায় আসেন ঢাকা শহরের যানজট নিরশনে ২০১৬ সালে ২২ অক্টোবর ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে বিশ্ব ব্যাক্তিগত গাড়ী মুক্ত দিবসে পথনাটক “পার্কলের্ট” রচনা ও পরিচলানার মধ্য দিয়ে। ব্যাক্তিগত গাড়ী মুক্ত দিবস টিতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক এবং যোগাযোগ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দাুল কাদের এমপি সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। মনজুরুল ইসলাম মেঘ জানান, মন্ত্রী মহোদয় সেই দিন ঘোষনাও দিয়েছিলেন ঢাকার অনন্তত ২ টি রাস্তা ব্যাক্তীগত গাড়ী মুক্ত করবেন, যতদূর জানি সেইটি নিয়ে মন্ত্রনালয় কাজও শুরু করেছেন। সহযোগিতা পেলে যানজট নিয়ে একটি ডকুমেন্টারী করার ইচ্ছাও আছে।

২০০৮ হতে ২০১৮ দীর্ঘ ১০ বছর বিরতী, মনজুরুল ইসলাম মেঘ আর কোন চলচ্চিত্র নির্মান করেননি এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, উচ্চ শিক্ষার জন্য মাঝে কিছু দিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে ছিলাম, যেহেতু কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর মতন একটি জটিল বিষয় নিয়ে পড়া লেখা করেছি তাই কিছু দিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও ২০১৫ সাল থেকে আবার চলচ্চিত্রে নিয়মিত হয়েছি, আমার পেশা লেখা-লেখি হলেও চলচ্চিত্র নিয়েও ব্যস্থতা কম নয়, বর্তমানে কাজ করছি জাতিয় পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা তৌকীর আহমেদ এর সঙ্গে। অজ্ঞাতনামা, হালদা ও ফাগুন হাওয়ায় কাজ করেছি। দায়িত্ব পালন করছি নক্ষত্র চলচ্চিত্র’র মার্কেটিং এবং ফেস্টিভাল কনসালটেন হিসাবে। এ ছড়াও বর্তমানে ব্যাস্ত আছি আমার প্রতিষ্ঠান সিনেম্যাকিং নিয়ে । সিনেম্যাকিং মূলত একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এর চলচ্চিত্র পরিবেশক প্রতিষ্ঠান, আমরা বাংলা চলচ্চিত্র সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাচ্চি। আমি বিশ্বাস করি বাংলা চলচ্চিত্রের প্রচার করা হলে বিশ্ব চলচ্চিত্রে আমাদের নির্মাতারা স্থান করে নিতে পারবেন। বাংলাদেশে বর্তমানে খুবই ভালো ভালো স্বল্পদৈর্ঘ ও পুর্ণদৈর্ঘ সিনেমা নির্মান হচ্ছে এর জন্য চাই আন্তর্জাতিক পরিবেশনা, যেটা এতদিন ছিলোনা এখন সিনেম্যাকিং সেই কাজটি করে যাচ্ছে। দেশে বানিজ্যিক পরিবেশক থাকলেও চলচ্চিত্র উৎসব পরিবেশক প্রফেশনাল ভাবে যতদূর জানি আমরাই প্রথম, অন্যকেউ থাকলে আমার জানা নেই। তবে আমি মনে করি আরো বেশী পরিবেশক থাকা উচিৎ, কারণ প্রতিযোগিতা না থাকলে কাজের গতি বাড়েনা। আমরা কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে কর্মাশিয়াল পরিবেশক হিসাবেও কাজ করছি। সেই ক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন দেশের সিনেমা নিয়ে কাজ করি।

পেশাগত দায়িত্ব হিসাবে মনজুরুল ইসলাম মেঘ অফিসিয়াল কো-অর্ডিনেটর পদে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে টানা তিনবার দায়িত্ব পালন করেছেন। ফাস্ট বিমসট্রেক ফিল্ম ফেস্টিভালের কো-অর্ডিনেটর, সার্ক ফিল্ম ফেস্টিভালের পরপর দুই বার বাংলাদেশী কমুউনিকেশন কো- অডিনেটরের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও আরো বেশ কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি কিউরেটর এর দায়িত্ব পালন করেছেন। পূর্ণদের্ঘ, স্বল্পদৈর্ঘ ও ডকুমেন্টারী মিলে প্রায় কুড়িটির অধিক সিনেমা তিনি প্রায় শতাধিক দেশে পরিবেশকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতিমধ্যেই অর্জন করেছেন খ্যাতি ও সম্মাননা। সম্প্রতি ভারতের আসামে অনুষ্টিত ২য় গোয়াহাটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মনজুরুল ইসলাম মেঘ পেয়েছেন আউট স্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন ইন ফিল্ম এর জন্য সম্মাননা পেয়েছেন। এড়াও দেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসেবেও পেয়েছেন আমন্ত্রণ ও সম্মাননা ক্রেস্ট।

কবে পূর্ণদৈর্ঘ সিনেমা নির্মান করবেন এমন প্রশ্নর উত্তরে তিনি জানান, মাঝে দীর্ঘ বিরতি হলেও চলচ্চিত্র নির্মানের উপর বেশ কিছু আন্তর্জাতিক কর্মশালা করেছি এবং আরো কিছু কর্মশালাতে অংশগ্রহণ করতে চাই। তবে আগামি বছর আমি একটি পূর্ণদৈর্ঘ সিনেমা নির্মান করতে যাচ্ছি আপদত এটাই আপডেট এবং ২০১৯ সালে ভারতের একটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শর্ট সেকশনে জুরী হবার আমন্ত্রণ পেয়েছি এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি কারণ আমি মনে করি জুরী হবার মতন যোগ্যতা এখনো আমার হয়নি আমি আরো শিক্ষাগ্রহণ করতে চাই, সবার সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশী নির্মাতাদের নির্মিত বাংলা সিনেমা যেমন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই তেমনি নিজেও কিছু ভালো সিনেমা নির্মান করতে চাই।

 

কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ করছেন মনজুরুল ইসলাম মেঘ Reviewed by on . wnewsbd.com : বিনোদন প্রতেবেদক : আগামি ২৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ২০১৮ অনুষ্টিতব্য ৪র্থ কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অতিথি হিসাবে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ প wnewsbd.com : বিনোদন প্রতেবেদক : আগামি ২৮ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ২০১৮ অনুষ্টিতব্য ৪র্থ কাশমীর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অতিথি হিসাবে বাংলাদেশ থেকে আমন্ত্রণ প Rating: 0
scroll to top